প্রোগ্রামিং ক্যারিয়ার গাইড লাইন: এক ডজন প্রোগ্রামারের কথা

ekdojonfront

Buy Now

প্রাপ্তিস্থান

রকমারি ডট কম, ফোন: ১৬২৯৭
হক লাইব্রেরী, নীলক্ষেত, ঢাকা, ফোন: ০১৮২০-১৫৭১৮১
মানিক লাইব্রেরী, নীলক্ষেত, ঢাকা, ফোন: ০১৭৩৫-৭৪২৯০৮
রানা বুক পাবলিকেশন, নীলক্ষেত, ঢাকা।


ভূমিকা

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম প্রোগ্রামিং নিয়ে অনেক আগ্রহী। ইন্টারনেটে বিভিন্ন ফোরামে, ফেসবুক গ্রুপে তারা অনেক কিছু জানতে চায়, অনেক ব্যাপারে দিকনির্দেশনা চায়। আমি প্রায়ই দেখি অনেক অযোগ্য লোক সেসব প্রশ্নের উত্তর দেয় এবং এতে তরুণরা বিভ্রান্ত হয়। আর যেহেতু দিকনির্দেশনামূলক প্রশ্নের কোনো সঠিক উত্তর নেই, তাই উত্তরের গুণগত মান যাচাইয়েরও কোনো ব্যাপার নেই। ইন্টারনেটে-ফেসবুকে যে কেউ যা খুশি বলতে পারে। তো এটি একটি সমস্যাই বটে, কারণ যারা সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারত, তাঁদের হয়ত অত সময় নেই যে সারাদিন ইন্টারনেটে-ফেসবুকে বসে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাবে। তো এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমি একটি বুদ্ধি বের করলাম। আমার পরিচিত যে সমস্ত প্রোগ্রামার দেশে-বিদেশে কাজ করছেন এবং আমার মতে যাদের কাছ থেকে পরবর্তী প্রজন্মের দিকনির্দেশনা পাওয়া উচিত, তাঁদের একটি তালিকা তৈরি করলাম। তালিকা বেশ বড় হয়ে গেল। সেখান থেকে ছয়জনের সাক্ষাৎকার নিয়ে আমার ব্লগে প্রকাশ করলাম। সেই সাক্ষাৎকারগুলো পড়ে আমি নিজেই অনেক অনুপ্রাণিত হই এবং উপলব্ধি করি যে এগুলো বাংলাদেশের প্রোগ্রামিং-উৎসাহী প্রজন্মের কাছে পৌঁছানের জন্য বই হতে পারে সেরা মাধ্যম। তারপর আরো ছয়জনের সাক্ষাৎকার নিয়ে বুঝতে পারলাম যে তালিকার সবার সাক্ষাৎকার নিতে গেলে বইটি কখনোই আলোর মুখ দেখবে না। তাই আপাতত বার জনের কথা দিয়েই বইটি বের করতে হচ্ছে।

সাক্ষাৎকারগুলো পড়লে কিছু বিষয় পরিষ্কার হয়, যেমন: সাফল্যের কোনো শর্টকাট নেই, প্রোগ্রামিং সহজে শেখার কোনো উপায় নেই। আর যারা কম্পিউটার সায়েন্স পড়ছে, তারা কেবল প্রোগ্রামিং করবে কিন্তু অন্য বিষয়গুলো পড়বে না, সেই ভুল ধারণাও সাক্ষাৎকারগুলো পড়লে ভাঙ্গবে। আর আমাদের সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির তথাকথিত নেতারা প্রায়ই অভিযোগের সুরে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস আধুনিক নয়, যুগপযুগী নয়। কিন্তু চার বছরের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেই সিলেবাস আছে, তা যথেষ্টই আধুনিক এবং সেগুলো পড়েই কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা মাইক্রোসফট, গুগল, ফেসবুক-এর মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। তারা বরং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর পাঠক্রম ও পাঠ্যপুস্তক উন্নয়নের দাবি জানাতে পারেন, যাতে করা আরো অনেক ছেলেমেয়ে আমাদের সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগ পায়, আর সফটওয়্যার কোম্পানীগুলোও দক্ষ প্রোগ্রামার পায়।

যেই ১২ জন কষ্ট করে সময় দিয়েছেন, আমার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছেন, তাঁদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আর বইটি প্রকাশের জন্য আলমগীর ভাই অনেক পরিশ্রম করেছেন, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে প্রোগ্রামারদের কথা পড়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা অনেক উপকৃত হবে। সেই সাথে তাদের শিক্ষক ও অভিভাবকরাও যদি বইটি পড়ে ফেলেন, তাতে তারা নিজেরাও আলোকিত হবেন। প্রোগ্রামিংয়ের আলোয় উদ্ভাসিত হোক বাংলাদেশ।

তামিম শাহরিয়ার সুবিন,
গ্র্যাব আর এন্ড ডি সেন্টার, সিঙ্গাপুর।
আগষ্ট, ২০১৬।
https://fb.com/tamim.shahriar.subeen
https://twitter.com/subeen
ইমেইল : book@subeen.com

সূচীপত্র

    মারুফ মনিরুজ্জামান সফটওয়্যার প্রকৌশলী, মাইক্রোসফট

    অনুপম শ্যাম এভারনোট (যুক্তরাষ্ট্র)-এ কাজ করছেন, এর আগে বিশ্বখ্যাত গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডিজনীতে কাজ করেছেন

    মোজাম্মেল হক ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার, ভ্যানটেজ ল্যাবস

    আল-মামুন সোহাগ কানাডায় অবস্থিত রেটরড নামক গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন

    সবুজ কুন্ডু সিইও, কোডবক্সার

    সোহেল তাসলিম ইফিউশন, জাপান

    রুহুল আমিন (সজীব) দলনেতা, পিপীলিকা প্রজেক্ট, সিএসই-সাস্টের শিক্ষক, (বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করছেন)

    নাজমুজ সালেহীন (সমিত) ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার, পেপাল

    গোলাম কাওসার (বিলাশ) মাইক্রোসফট ও গোল্ডম্যান স্যাক্সে কাজ করে এখন একটি সার্টআপে কাজ করছেন।

    আরিফুজ্জামান আরিফ সফটওয়্যার প্রকৌশলী, গুগল

    শাহরিয়ার মঞ্জুর এসিএম আইসিপিসি ওয়ারল্ড ফাইনালসের বিচারক এবং সাউদ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

    মোজাহেদুল হক আবুল হাসানাত সিটিও, থেরাপ সার্ভিসেস

বইয়ের বিবরনী

শিরোনাম প্রোগ্রামিং ক্যারিয়ার গাইড লাইন: এক ডজন প্রোগ্রামারের কথা
লেখক তামিম শাহরিয়ার সুবিন
ISBN 9789843391919
সংস্করন প্রথম প্রকাশ, জুন, ২০১৫
পৃষ্ঠাসংখ্যা ১০৪

লেখক পরিচিতি

তামিম শাহরিয়ার সুবিন

তামিম শাহ্‍‍রিয়ার (ডাকনাম : সুবিন)-এর জন্ম ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর ময়মনসিংহে। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার হারং গ্রামে। তাঁর বাবা মো: মোজাম্মেল হক ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা ফেরদৌসি বেগম গৃহিণী। স্ত্রী সিরাজুম মুনিরা ও পুত্র আরাভ শাহ্‍‍রিয়ার-কে নিয়ে বর্তমানে সিঙ্গাপুরে বসবাস করছেন।

লেখাপড়া করেছেন হোমনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এ কে উচ্চ বিদ্যালয়, নটর ডেম কলেজ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০৬ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পাস করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন বিভিন্ন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। পরবর্তী সময়ে (২০০৭ ও ২০০৮ সালে) তিনি এসিএম আইসিপিসি ঢাকা রিজিওনাল-এর বিচারক ছিলেন।

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরে একটি দেশি সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তারপর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আরেকটি সফটওয়্যার তৈরির প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পর নিজেই প্রতিষ্ঠা করেন মুক্ত সফটওয়্যার লিমিটেড নামক সফটওয়্যার তৈরির একটি প্রতিষ্ঠান। অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে প্রোগ্রামিং ও সফটওয়্যার তৈরির নানা বিষয় শিক্ষাদানের জন্য তৈরি করেছেন দ্বিমিক কম্পিউটিং। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডে একজন একাডেমিক কাউন্সিলর। বর্তমানে লিড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন সিঙ্গাপুরের গ্রাব (Grab) নামক প্রতিষ্ঠানে।

Comments

comments